Friday, December 10, 2021

ভাঙ্গুড়ায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ (ভিডিওসহ)

 
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী নুরুন নবী মন্ডল ও বিদ্রোহী প্রার্থী মনোয়ার হোসেন মিঠুর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। এছাড়া দুটি মোটরসাইকেল ভাংচুরসহ উভয় পক্ষের নির্বাচনী অফিস ভাঙ্গা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়সাল বিন আহসান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিঠুর পোস্টার ও ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নের দোহারী গ্রামে নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় প্রার্থীর সমর্থকরা জড়ো হলে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে ওই স্থানে নৌকার নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে চলে যায় মিঠুর সমর্থকরা। এর কিছুক্ষণ পর পার্শ্ববর্তী চকদিগর গ্রামে মিঠুর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে নৌকার পক্ষের লোকজন। পরে মিঠুর এলাকা মাদারবাড়িয়া ও চন্ডিপুর থেকে লোকজন এসে ইউনিয়নের দোহারী গ্রামে জড়ো হয়। এরপর নুরুন নবী মন্ডলের গ্রাম ময়দানদিঘী থেকে প্রায় দুই শতাধিক লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে মিঠুর লোকজনের উপর হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের বেশ ১০ জন আহত হয়। পরে দোহারী গ্রাম, চকদিগর ও চন্ডিপুরে (কাজীপুর মোড়) উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহিনী নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ঘটনার পর থেকে উপায় স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।



এ বিষয়ে নৌকার প্রার্থী নুরুন নবী মন্ডল বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী সর্মথকরা আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে আমার লোকজনকে মারধর করেছে। আমরা তার পাল্টা প্রতিরোধের চেষ্টা করেছি। তাদের মারধরে আমাদের অনেক লোক আহত হয়েছে।


স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেন মিঠু বলেন, নৌকার প্রার্থী যুবলীগ নেতা হওয়ায় এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করেছেন। তার সমর্থকরা আমার লোকজনকে প্রচারণায় বের হতে দিচ্ছে না। পোস্টার লাগাতে দিচ্ছে না। নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর করেছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ওঁৎ পেতে রয়েছে আমার লোকজনকে মারধর করার জন্য।



ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ঘটনা শুরুর পর থেকেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশ ওই এলাকায় রয়েছে। পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ রাখা হয়েছে। এছাড়া পুলিশের একটি বিশেষ টিম ইউনিয়নের সার্বিক এলাকা টহল ও পর্যবেক্ষণ করছে।


শেয়ার করুন