Sunday, September 12, 2021

৫৪৩ দিন পর স্বাস্থ্যবিধি মেনেই খুলল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

 

ভাঙ্গুড়া ( পাবনা ) প্রতিনিধি : 

করোনায় বন্ধ থাকার পর আগামি ১২ সেপ্টেম্বর আজ  খুললেন  স্কুল-কলেজ । দীর্ঘদিন পর স্কুল - কলেজ খোলার পড়ে আনন্দিত পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার শিক্ষার্থী- অভিভাবকরা। তাই স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যে উপজেলার সকল ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের‌ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষ পাঠদানের জন্য উপযোগি করা হয়েছে। তবে বন্যার কারণে পাঠদানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে উপজেলার ১২ টি বিদ্যালয় । 



সরেজমিন উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, আঙিনা পরিস্কার -পরিচ্ছন্নতাসহ পাঠদানের উপযোগি করে রাখা হয়েছে বিদ্যালয়গুলো। শিক্ষক-কর্মচারীরা অফিস করছেন।  স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদানের জন্য মাস্ক, হ্যান্ডস্যানিটাইজারসহ নানা উপকরণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। 


ময়দানদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শামছুজ্জামান  জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের জন্য মাস্ক, হ্যান্ডস্যানিটাইজার, জীবাণুনাশক স্প্রে, তাপমাত্রা মাপক যন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ কেনা হয়েছে এবং সকল ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়া হচ্ছে। তবে দুধবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাসির হোসেন, চিন্তাত  তাঁর বিদ্যালয় আঙিনায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় তিনি চিন্তিত। 

ময়দানদিঘী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান বলেন, দীর্ঘদিন পর স্কুল চত্বর আবার শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হবে তাই পাঠদানের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। 


পরমানন্দপুর  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক , মোঃ নুরুজ্জামান সবুজ বলেন, সরকারি নির্দেশ পাবার পরেই তাঁরা স্কুলের খুলেছেন ।


অভিভাবক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশরাফুল ইসলাম ফরিদ  বলেন, ‘মহামারি করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে অন্য সবার মতো নিজেও শংকিত ছিলাম। এখন স্কুল-কলেজ খোলার পর স্বস্তি পাচ্ছি।’ 

চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব বলেন, অনেকদিন স্কুলে যেতে না পারায় খুব খারাপ লেগেছে। এখন ১২ তারিখে স্কুল খোলার পর  আমার খুব আনন্দ লাগছে ।’ 


উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে পাঠদানের লক্ষে সকলপ্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া আছে। আর বন্যার কারণে উপজেলার ৯৯ টি স্কুলের মধ্যে ঝুকিপূর্ণ ১২টি স্কুলের বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। 


শেয়ার করুন