Monday, April 12, 2021

করোনা যোদ্ধা মেয়র রাসেল করোনা পজিটিভ | ভাঙ্গুড়ার আলো


ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর দিনই মেয়র রাসেল পৌর এলাকায় ১০ টি স্থানে ওয়াটার ট্যাংক ও সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেন। এছাড়া শহরের প্রধান সড়কের প্রবেশমুখে জীবানুনাশক ট্যানেল স্থাপন, শহরের সকল সড়কে জীবাণুনাশক স্প্রে করে ও লকডাউন বাস্তবায়নে শহরের প্রবেশ মুখে স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগ করে প্রশংসা অর্জন করেন। একই সাথে গত একবছর ধরে ভাঙ্গুড়ার বাহির থেকে আসা সকল মানুষকে বাধ্যতামূলক স্থানীয় বিদ্যালয়ে কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করে সেসব বাড়িতে ব্যক্তি উদ্যোগে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন। এরপর শহরের প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে হোমিওপ্যাথি ঔষধ সরবরাহ করেছেন। এভাবেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করেছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌরসভার মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল। অবশেষে এই করোনা যোদ্ধার দেহে করোনা ভাইরাস (কোভিড১৯) শনাক্ত হয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।



 আজ সোমবার দুপুরে ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে তার শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়।  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হালিমা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মেয়র রাসেল দেড় মাস আগে করোনা ভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন।



জানা যায়, গত মাসের শেষের দিকে প্রশিক্ষণের জন্য মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল ঢাকায় যান। সেখানে তিনি ৫ দিন অবস্থান করেন। পরে গত ৪ এপ্রিল সর্দি-কাশি নিয়ে ভাঙ্গুড়ায় ফেরেন। তবে এই অবস্থাতেও তিনি নিয়মিত অফিস করা সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শন করেছেন। একপর্যায়ে বেশি অসুস্থ বোধ করলে গত বৃহস্পতিবার ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। সোমবার সিরাজগঞ্জ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে পরীক্ষায় ওই নমুনায় করোনা পজিটিভ আসে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আজ সোমবার সকালে আবারো নমুনা সংগ্রহ করে পাবনায় পাঠানো হয়। দুপুরে সেখানকার ফলাফলেও করোনা পজিটিভ আসে।



উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হালিমা খানম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মেয়র রাসেলের শরীরে করোনা ভাইরাসের সকল উপসর্গ ছিল। তবে বর্তমানে তার শরীরে উপসর্গ তেমন নেই। তাই নিশ্চিত হতে দ্বিতীয় বার দ্রুততম পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতেও পজিটিভ আসে।


শেয়ার করুন