Thursday, April 1, 2021

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদন্নোতি পেলেন ভাঙ্গুড়ার সোহেল মারুফ

 
অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (ADC) হিসেবে পদন্নোতি পেলেন পাবনা-ভাঙ্গুড়ার কৃতি সন্তান সোহেল মারুফ তিনি ভাঙ্গুড়া থানার পাথর ঘাটা গ্রামের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন মাষ্টারের( মৃত) কনিষ্ঠ সন্তান । তার এই অর্জনে এলাকাবাসী সহ সকল বন্ধু বান্ধব ও পরিবার পরিজন গর্বিত ও আনন্দিত। শান্তশিষ্ট ও নম্র-ভদ্র স্বভাবের সোহেল মারুফ গ্রামের স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন পরবর্তীতে পাবনা জেলা স্কুলে ভর্তি হয়ে১৯৯৭সালে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে উচ্চমাধ্যমিকে মোহাম্মদপুর মডেল রেসিডেনসিয়াল কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৯৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর মেধাবী সোহেল মারুফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা,পানি ও পরিবেশ বিভাগে১৯৯৯-২০০০শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন।ডিপার্টমেন্টে ভালো ফলাফলের কারণে অতি অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের স্নেহভাজন হনএবং নজরে আসেন ।যার ফলে ২০০৩ সালে স্নাতক ও২০০৪ কৃতিত্বের সাথে স্নাতকত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে 2012 সালের ৩ জুন 30 তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। ইতিপূর্বে তিনি ব্যাংক সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এরপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কুড়িগ্রাম তারপর এসিল্যান্ড হিসেবে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার উপজেলা নির্বাহি অফিসার( UNO)এবং বর্তমানে(২৮-৩-২০২১তাং) বরিশাল জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ADC) হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। কর্মজীবনে তিনি একজন সফল এবং দায়িত্ববান ব্যক্তি। পারিবারিক জীবনে তিনি একজন সুখী দম্পতি ও এক পুত্র এবং এক কন্যা সন্তানের জনক এবং তারা তিন ভাই ও দুই বোন। তার বড় ভাই সুজন আহমেদও ঢাকা বিশব্বিদ্যালয়ের সাবেক নামকরা ছাএ দীর্ঘদিন ইউরোপে অবস্থানে পর এখন ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত ,মেঝ ভাই শামীম আহমেদ স্হানীয় রাজনীতিবিদ ও ঠিকাদারি কাজে যুক্ত এবং দুই বোনের বড় বোন গত হয়েছেন বেশ কিছু বছর আগেই এবং ছোট বোন গৃহিনী স্বামীর সহিত ঢাকা থাকেন।


শেয়ার করুন