Saturday, April 10, 2021

ভাঙ্গুড়ায় শিশুর আত্মহত্যা । ভাঙ্গুড়ার আলো

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় উর্মি খাতুন নামে ১০ বছরের এক শিশু গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত উর্মি ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের কন্যা। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তবে কেন মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুটি এমন কাজ করলো তা কেউই বলতে পারছেনা বাড়ির সদস্যরা।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জন্মের পর থেকেই উর্মি মানসিক প্রতিবন্ধী। উর্মির বাবা আব্দুল খালেক ঢাকার একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তাই মাকেই উর্মির দেখাশোনা করতে হয়। খাবার খাওয়ানো ও পোশাক পরানো সবকিছুই মাকে করে দিতে হয়। অনেক সময় কথা না শোনার কারণে সামান্য শাসন করতে হয় উর্মিকে। তবে কেউ তাকে কখনো অনাদর করেনি। এ অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় বৃষ্টি শুরু হলে মা উর্মিকে ঘরে রেখে উঠানের গরুর গোবরের ঘুঁটে তুলতে যায়। পরে ঘরে ফিরে এসে দেখে উর্মি ঘরের আড়ায় ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলে আছে। পরে শিশুটিকে নামিয়ে স্থানীয় চিকিৎসক ডাকলে তিনি মৃত ঘোষণা করেন।


এরপর স্থানীয় ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে রাত ৯ টার দিকে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আজ শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য শিশুটির মরদেহ পাবনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের ডিউটি অফিসার এসআই মুরাদ হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তাই থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরে প্রকৃত মৃত্যুর বিষয়টি জানা যাবে।


শেয়ার করুন