Saturday, January 9, 2021

নিরন্তর সাফল্যের ধারায় ১২ বছরে পদার্পণ করছে কালের কণ্ঠ

 

অগণিত পাঠকের ভালোবাসায় সিক্ত দৈনিক কালের কণ্ঠের জন্মদিন আগামীকাল রবিবার। ১২ বছরে পদার্পণ করছে দেশের অন্যতম শীর্ষ দৈনিক। জাতিকেআংশিক নয় পুরো সত্যজানানোর অঙ্গীকার নিয়ে ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি যে পথচলা শুরু হয়েছিল, পাঠকের অব্যাহত আস্থা ভালোবাসায় তা অক্ষুণ্ন রয়েছে।

প্রতিবছর জমকালো উৎসবের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে কালের কণ্ঠ। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে নানা শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনরা আসতেন কালের কণ্ঠ ভবন কিংবা অনুষ্ঠানস্থলে। দেশের খ্যাতিমানদের পাশাপাশি কালের কণ্ঠ পরিবারের সদস্য পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের মিলনমেলায় পরিণত হতো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণিল আয়োজন। কেন্দ্রীয় আয়োজনের পাশাপাশি নানামাত্রিক অনুষ্ঠান হতো দেশব্যাপী। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে সঙ্গত কারণে এবার বর্ণাঢ্য কোনো আয়োজন নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়া পরিবেশে জন্মদিন উদযাপন করা হচ্ছে।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কেক কেটে ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভসূচনা করেন দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। সময় কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, এডিটোরিয়াল বোর্ড সদস্যবৃন্দ এবং সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সময় সায়েম সোবহান আনভীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কালের কণ্ঠ পরিবারের সদস্য এবং পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানান। তিনি পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

শুরু থেকেই কালের কণ্ঠ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পতাকা বহন করে চলেছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িকতা মুক্তবুদ্ধিচর্চার ক্ষেত্রে কালের কণ্ঠ তার স্বকীয় বৈশিষ্ট্য সমুজ্জ্বল রেখেছে। গণমানুষের কথা বলে, সমাজ দেশের সার্বিক কল্যাণচিন্তার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। যে কারণে পেয়েছে মানুষের অকল্পনীয় ভালোবাসা সমর্থন। যার ফলে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতির সংকটের মধ্যেও রয়েছে কালের কণ্ঠের নির্বিঘ্ন পথচলা।

দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গত বছর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) রাজদর্শন হলে ছিল বর্ণিল উৎসব। দেশবরেণ্য ২৫ গুণী মানুষ, যারা নানাভাবে দেশকে সমৃদ্ধ করেছেন তাদের সম্মাননা জানানো হয়েছিল। তার আগের বছর সম্মাননা জানানো হয়েছিল সেই শিক্ষকদের, যাঁরা তাঁদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জীবনের স্বপ্ন বুনে দিয়েছেন। অষ্টম জন্মবার্ষিকীতে সম্মান জানানো হয় অসম সাহসী ১০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে, যাঁরা জীবন বাজি রেখেছিলেন যুদ্ধের ময়দানে। তার আগে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে সেই বীর নারীদের, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন; হয়েছে শহীদ জননীদের, যাঁরা একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে উৎসর্গ করেছিলেন তাঁদের সন্তানদের; নারী মুক্তিযোদ্ধাদের, যারা সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করেছেন। ২০১১ সাল থেকে স্মরণীয় সব আয়োজন করছে কালের কণ্ঠ।

কালের কণ্ঠের ১২ বছরে পদার্পণ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ৫০ বছরে বাংলাদেশের ৫০ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা নিয়ে কালের কণ্ঠ প্রকাশ করছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। প্রকাশিত হবে কাল থেকে টানা পাঁচদিন।


শেয়ার করুন