Sunday, September 27, 2020

নৌকা না পেলেও মনোনয়ন জমা দিলেন আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতা

ভাঙ্গুড়া  প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সদর মন্ডতোষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থন বঞ্চিত দুই নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ভাঙ্গুড়া সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা গোলাম ফারুক টুকুন মন্ডতোষ ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক নুর ইসলাম মিন্টু। এই দুই নেতা মনোনয়ন জমা দেওয়ায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।তবে একটি সূত্র জানায়, আগামী অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগেই বিদ্রোহী প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া চালানো হবে

জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সদর ইউনিয়ন থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল হোসেন খান এবং যুবলীগ নেতা গোলাম ফারুক টুকুনের নাম আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে প্রেরণ করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। একই সাথে মন্ডতোষ ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফসার আলী মাস্টার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান তারেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলামের নাম পাঠানো হয়। এরপর গত সপ্তাহে সদর ইউনিয়নে বেলাল হোসেন খান মন্ডতোষ ইউনিয়নে আফসার আলী মাস্টারকে মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ। অবস্থায় সদর ইউনিয়নে গোলাম ফারুক টুকুন মন্ডতোষ ইউনিয়নে নুর ইসলাম মিন্টু নির্বাচন থেকে সরে না গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। আগামী ২০ অক্টোবর ইউনিয়ন দুটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দলীয় নির্দেশ অমান্য করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার বিষয়ে গোলাম ফারুক টুকুন  বলেন, 'আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে আসছি। দরিদ্র নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাই দল মনোনয়ন না দিলেও সাধারণ ভোটাররা আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। এতে জনগণের দাবির মুখে আমাকে নির্বাচনের প্রার্থী হতে হয়েছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি অবশ্যই জয়ী হব।'

অপর বিদ্রোহী প্রার্থী নুর ইসলাম মিন্টু বলেন, 'গত নির্বাচনে আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েও আওয়ামী লীগের প্রার্থী আফসার আলী মাস্টারের (বর্তমান প্রার্থী) চেয়ে সামান্য ভোট কম পাই। সে সময় আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হতাম। কিন্তু আমাকে মনোনয়ন না দেওয়ায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর কাছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় হয়। গত পাঁচ বছর ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে নিজের জনপ্রিয়তাকে বাড়িয়ে তুলেছি। তাই সাধারণ মানুষের ভালোবাসা দাবির মুখে আমি প্রার্থী হতে বাধ্য হয়েছি।'

 

বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লোকমান হোসেন বলেন, আগামী অক্টোবর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। তাই এর আগে বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে কোনো কিছু বলতে চাচ্ছি না।

 


শেয়ার করুন