Thursday, June 25, 2020

ভাঙ্গুড়ায় মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষকের আত্মহত্যা


(অনলাইন ডেস্ক)
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মাধ্যমিক স্কুলের এক শিক্ষক আত্মহত্যা করেছে।
আত্মহত্যাকারি ওই শিক্ষকের নাম মোস্তফা কামাল (৪৫) তিনি ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের মমতাজ মোস্তফা আইডিয়াল স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক ছিলেন।
তিনি টলটলিয়াপাড়ার মৃত আব্দুল কাদেরের পুত্র দুই কন্যা সন্তানের জনক।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের টলটলিয়াপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ির শয়ন কক্ষের বেলকুনি থেকে পুলিশ তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন।
স্থানীয় পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত শিক্ষক মোস্তফা কমাল ২০১২ সাল থেকে মমতাজ মোস্তফা আইডিয়াল স্কুলে ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে নন এমপিও শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করে আসছিলেন।
কিন্তু ২০১৯ সালের শেষের দিকে সরকার সারা দেশের ননএমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির ঘোষানা দেয়। এর মধ্যে ভাঙ্গুড়া উপজেলায় যে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও হয় তার মধ্যে মমতাজ মোস্তাফা আইডিয়াল স্কুলটিও এমপিও ভুক্তির তালিকায় নাম আসে।
সম্প্রতি ওই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক কর্মচারীর এমপিও ভুক্তি হলেও ক্রীড়া শিক্ষক মোস্তফা কামাল এর কাগজ পত্রের জটিলতায় এমপিও ভুক্তি থেকে বাদ পড়েন।
তবে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ সাপেক্ষ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরে এমপিওর আবেদন পাঠানোর কথা রয়েছে।
এমন অবস্থায় এমপিও ভুক্তি হওয়া না হওয়া নিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাতের কোনে এক সময় নিজ বাড়ির শয়ন ঘরের বেলকুনিতে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ভোর রাতে তার পরিবারের লোকজন তাকে গলায় রশি নিয়ে মৃত অবস্থায় দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়। সকালে পুলিশ ঘটনাস্থালে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে তার চাকুরী এমপিও হওয়া না হওয়া নিয়ে মনস্তাত্বিক দ্বন্দের কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
এব্যপারে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাসুদ রানা বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাবনা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

শেয়ার করুন