Previous
Next

সর্বশেষ

Saturday, January 23, 2021

চার বছরে ভাঙ্গুড়ার সংস্কৃতি অঙ্গনে গুন ললিতকলা একাডেমি | ভাঙ্গুড়ার আলো

চার বছরে ভাঙ্গুড়ার সংস্কৃতি অঙ্গনে গুন ললিতকলা একাডেমি | ভাঙ্গুড়ার আলো

 
বিশেষ প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সংস্কৃতিক অঙ্গনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখা গুন ললিতকলা একাডেমি পঞ্চম বছরে পা দিয়েছে। এ উপলক্ষে আজ শনিবার প্রতিষ্ঠানটি নিজ কার্যালয়ে কেক কেটে চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। ভাঙ্গুড়া পৌরসভার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সাইদুল ইসলাম, বর্তমান পৌর কাউন্সিলর মোজাম্মেল হক বিশু, রফিকুল ইসলাম সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।


জানা যায়, চারবছর আগে এই দিনে ভাঙ্গুড়ায় সংস্কৃতিক অঙ্গনে যাত্রা শুরু করে গুন ললিতকলা একাডেমী। এরপর প্রতিষ্ঠানটি ভাঙ্গুড়ায় সংস্কৃতির প্রসারে নানামুখী কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে। এতে মাত্র চার বছরে ভাঙ্গুড়ার সংস্কৃতি মনা মানুষদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই প্রতিষ্ঠানটি। এত অল্প সময়ে প্রতিষ্ঠানটির অগ্রগতির পিছনে ভাঙ্গুড়া পৌর মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা ছিল বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা। আগামীতে এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আরো বিস্তৃত পরিসরে সংস্কৃতিক চর্চা চালিয়ে সহিষ্ণু চেতনা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে গুন ললিতকলা একাডেমী।

ভাঙ্গুড়ায় মানবিক চিকিৎসক | ভাঙ্গুড়ার আলো

ভাঙ্গুড়ায় মানবিক চিকিৎসক | ভাঙ্গুড়ার আলো

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

 যখন ডাক্তার শুনলেই কিছুলোক কসাই বলে নাক সিটকায় সেখানে একজন ব্যতিক্রমি চিকিৎসক পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় কর্মরত স্বীয় উপজেলার সন্তান ডাঃ সওগাত এহসান। কাশিপুর গ্রামের প্রফেসর রঞ্জু আহমেদে তার গর্বিত পিতা। তাহার ফুফু ডাঃ সামছুন্নাহার এক সময়ের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসাপাতালের গাইনী বিভাগের প্রধান ছিলেন। বর্তমানে তিনি একটি স্বনামধন্য বেসরকারী হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। 


রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে তিনি ২০০৮ সালে এসএসসি ও ২০১০ সালে এইসএসসি পাশ করেন এর পর তিনি শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস ও এফসিপিএস ২য় পার্ট শেষ করেন। গত ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে মাত্র ২৮ বছর বয়সে ডাঃ সওগাত নিজ উপজেলা ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তিনি উপজেলায় ব্যাক্তি ও নিজ পারিবারিক উদ্যোগে বিভিন্ন দুস্থ ও অসহায় মানুষকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। করোনাকালীন সময়ে তিনি বিভিন্নভাবে কর্মহীন মানুষকে সহায়তা করেছেন। এছাড়া তিনি নিয়মিত অসহায় রোগীদের বিভিন্নভাবে সাহায্য সহোযোগিতা করে চলেছেন। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার তিনি একটি ইয়াতিম খানায় ৯০জন এতিমের খাবারের আয়োজন করেন।


সর্বশেষ তার ৯০জন এতিমকে খাওয়ানোর ও অসহায় দুস্থদের নিয়ে বিভিন্ন কাজের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে প্রচার বিমুখ এই মানুষটি সংকোচবোধ করেন। তবে তিনি এই কাজগুলো আত্মতৃপ্তির জন্য করে থাকেন বলে জানান।

Friday, January 22, 2021

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মৃত্যুকেও ছাড়াল করোনাভাইরাস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মৃত্যুকেও ছাড়াল করোনাভাইরাস

 

চলমান মহামারিতে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণহানির সংখ্যা চার লাখ ১৭ হাজার ছাড়িয়েছে। এই সংখ্যা দ্বিতীয় বিশ্বেযুদ্ধে প্রাণ হারানো মার্কিনদের মোট সংখ্যার চেয়েও বেশি। এর আগে গত জুন পর্যন্ত মার্কিন মুলুকে যত প্রাণ কাড়ে করোনা, তা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দেশটির মোট প্রাণহানিকে ছাড়িয়ে যায়। সামরিক-বেসামরিক মিলিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মোট চার লাখ পাঁচ হাজার ৪০০ মার্কিন নাগরিক নাগরিক প্রাণ হারায়। আর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এই সংখ্যা ছিল এক লাখ ১৬ হাজার ৫১৬।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় প্রাণহানির যখন নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই সময়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছেন জো বাইডেন।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত আড়াই কোটি মানুষের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মূলত করোনা মহামারি ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্যই ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরেছেন বলে পর্যবেক্ষকরা বলছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নতুন প্রেসিডেন্ট তাঁর প্রশাসনে মহামারি মোকাবেলাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন। বাইডেন প্রশাসন ১০০ দিনে ১০ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

বৈশ্বিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার বলছে, গতকাল পর্যন্ত বিশ্বের ২১৮টি দেশ-অঞ্চলে করোনা শনাক্তের সংখ্যা কোটি ৭৯ লাখ ছাড়িয়েছে। এই সময়ে প্রাণহানি হয়েছে ২০ লাখ ৯৭ হাজার মানুষের। এর মধ্যে গত বুধবার এক দিনে রেকর্ড ১৭ হাজার ৩৬৬ জনের মৃত্যু নথিবদ্ধ হয়েছে। একই দিন ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ছয় লাখ ২৮ হাজার ৯৮৯ জন সেরে উঠেছে। সব মিলিয়ে গতকাল পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে অন্তত সাত কোটি চার লাখ রোগী। সূত্র : এএফপি।

ওবায়দুল কাদেরকে রাজাকার পরিবারের সদস্য বললেন এমপি একরামুল

ওবায়দুল কাদেরকে রাজাকার পরিবারের সদস্য বললেন এমপি একরামুল

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পরিবারকে রাজাকারের পরিবার বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী- (সদর-সুবর্নচর উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তিনি তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এই মন্তব্য করেন। সেই সঙ্গে জেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি না পেলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এসব নিয়ে কথা বলা শুরু করবেন বলেও হুমকি দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরীর ফেসবুক আইডি থেকে ২৭ সেকেন্ডের এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, 'দেশের মানুষ, স্লামালাইকুম। আমি কথা বললেতো মির্জা কাদেরের বিরুদ্ধে কথা বলবো না, আমি কথা বলবো ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে। একটা রাজাকার ফ্যামিলির লোক এই পর্যায়ে এসেছে, তিনি তার ভাইকে শাসন করতে পারে না। এগুলো নিয়ে আমি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কথা বলবো। কয়েক দিনের মধ্যে আমার যদি জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি না আসে তাহলে আমি এটা নিয়ে শুরু করবো।'

কিছুক্ষণ পর তার ফেসবুক আইডি ঘুরে দেখা যায়, তিনি লাইভ ভিডিওটি সরিয়ে ফেলেছন। তবে এর আগে কয়েক মিনিটের মধ্যে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

বিষয়ে একরামুল করিম চৌধুরী এমপি সমকালকে জানান, ভিডিও সরিয়ে নিলেও তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পরিবারের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা সত্য এবং তিনি সত্য কথা বলেছেন। আপনারা গণমাধ্যম কর্মীরা খবর নিলে জানতে পারবেন তার পরিবারে কারা রাজাকার ছিল। তবে ওবায়দুল কাদের এমপি একজন মুক্তিযোদ্ধা। দীর্ঘদিন থেকে তার ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে এলোমেলো বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি তার ভাইকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, জন্য তিনি এসব কথা বলেছেন।

তবে শুক্রবার সকালে ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা জানান, মুক্তিযুদ্ধে আমাদের পরিবার আমার পিতার যথেষ্ট অবদান রয়েছে। কাদের সাহেব সম্মুখের মুক্তিযোদ্ধা। বরং একরাম চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা বারবার দলের সঙ্গে দলের নেতাদের সঙ্গে বেইমানি করেছে। আমাদের পরিবারে যে রাজাকার তার প্রমাণ দিতে হবে তাকে। না হয় জনতার আদালতে তার বিচার হবে, না হয় আমি অপরাধী হলে আমার বিচার হবে। আমি সত্য কথা বলায় এখন আমার আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমি মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত সত্য বলে যাবো। আপনারা খবর নিন, কে কেমন, সত্য তুলে ধরার জন্য আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ রইলো।

এদিকে ইতিমধ্যে একরামুল করিম চৌধুরীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি নুরুল কবির জুয়েল তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, কাদের সাহেব শুধু কোন রাজনৈতিক নেতা নয়, একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। এমন ঘটনা দুঃখজনক।